Showing posts with label RATIONALIST. Show all posts
Showing posts with label RATIONALIST. Show all posts

Saturday, January 11, 2014

“বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ইতিহাস”

                                  ২০১৪ সালের কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হতে চলেছে প্রবীর ঘোষ ও বিপ্লব দাসের যৌথভাবে লেখা বই                                                                                       “বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ইতিহাস”




মূল্যঃ- ২০০ টাকা
প্রকাশকঃ- দে’জ পাবলিশিং
১৩ বঙ্কিম চ্যাটার্জি স্ট্রিট, কলকাতা – ৭৩
ফোনঃ- (০৩৩) ২২১৯৭৯২০ / ২২৪১২৩৩০
রাজ্যের অন্যান্য জেলায় দে’জ-এর কাউন্টার —-
বর্ধমানঃ- ৯৪৩৪৫৭১৮২৩
শান্তিনিকেতনঃ- ৯৪৩৪১১৬৭১৬
ঠাকুরপুকুরঃ- ৯৮৩১৬৩৩৯৩৭
দুর্গাপুরঃ- ৮১০১৯৪৭৪৪৬
উত্তরপাড়াঃ- ২৮৪৮০১০০



http://www.srai.org/%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A4/

Friday, December 20, 2013

HOMOSEXUALITY MAY HARM YOU.


 It is very important to understand that human physiology is not designed to accommodate this activity. I would not just call it unnatural but unhygienic and unhealthy too. Vagina is much different from the rectum with regard to suitability of intercourse. Vagina has lubricants and muscle network along with special kind of epithelial covering which allows friction without causing any damage. On the other hand, rectum and anus are just meant for the exit of stools. Repeated trauma, stretching and friction may cause anal sphincter to become loose leading to chronic leakage of fecal matter.
Anal intercourse can cause severe bleeding from anus. Moreover, unprotected anal intercourse leads to mixing of ejaculate and blood of the partners and highly increases the risk of transmission of HIV and other sexually transmitted diseases like syphilis and gonorrhea. for further information read- http://www.srai.org/how-healthy-is-it-to-enter-from-the-rear-gate/

Monday, September 30, 2013



To
Sri Subrata mukherjee
Hon. Minister, West Bengal




We are challenging you. Either you take our challenge or stop this nonsence.



Tuesday, August 20, 2013

Narendra Dabholkar, leading anti-superstition campaigner of India shot dead

Narendra Dabholkar, leading anti-superstition campaigner of India, social worker and journalist, was gunned down in Pune by unidentified motorcycle-riding assailants on 20thaugust, 2013.
The attack took place around 7.30 a.m.IST near Omkareshwar Temple, when Dabholkar, in his 60s, was on his morning walk. The two gunmen fired indiscriminately at Dabholkar and sped away, leaving him in a pool of blood. The assailants fired four rounds at him from a point blank range and fled on a motorcycle parked nearby.Two bullets hit Dabholkar in his head and chest.
Narendra Dabholkar born on November 1945 was an Indian rationalist and author from Maharashtra. He was the founder-president of Maharashtra Andhashraddha Nirmoolan Samiti (MANS), an organization set up to eradicate superstition.  He was a doctor, having obtained an MBBS degree from the Miraj Medical College, Miraj. After working as a general practitioner for over a decade, Dabholkar became a social worker in the 1980s.
Gradually, Dabholkar started focusing on eradication of superstition, and joined the Akhil Bharatiya Andhashraddha Nirmoolan Samiti (ABANS). In 1989, he founded the Maharashtra Andhashraddha Nirmoolan Samiti ("Committee for Eradication of Superstition in Maharashtra"), and campaigned against superstitions, confronting dubious tantriks and holy men. Over the years, Dabholkar had also challenged some of India's "godmen", self-styled Hindu ascetics who have huge followings, over their claims to have performed miracles.
He also campaigned against animal sacrifices during some religious rituals.He was the founding member of Parivartan, a rehabilitation centre located in Satara. Dabholkar was the editor of a renowned Marathi weekly Sadhana.
In the 2010s, Dabholkar made attempts to get an anti-superstition law enacted in the state of Maharashtra. Under his supervision, the MANS drafted the Anti-Jaadu Tona Bill (Anti-Black magic Bill). It was opposed by certain Hindu extremist organizations. It was also opposed by the political parties like Bharatiya Janata Party and Shiv Sena on the grounds that it would adversely affect Hindu culture, customs and traditions. A couple of weeks before his death, Dabholkar had complained that the bill had not been discussed despite being tabled in seven sessions of the state assembly. He accused the chief minister of Maharashtra, Mr. Prithviraj Chavan of stifling progressive thought in the state.

Friday, May 3, 2013

বর্ধমানে শিশুর মৃতদেহ এবং মড়ার খুলি বহনের সময় গ্রেপ্তার আট গাজন সন্ন্যাসী

বর্ধমানে শিশুর মৃতদেহ এবং মড়ার খুলি বহনের সময় গ্রেপ্তার আট গাজন সন্ন্যাসী

গাজন উপলক্ষে চৈত্রের শেষে চলে মৃতদেহ ও মড়ার খুলি নিয়ে নৃত্য

Sishur mrito deho & morar khuli pacharer somoy arrest 8 jon Gajon Sanyasi (3) copy  দু’মাসের একটি বাচ্চার মৃতদেহ এবং মড়ার খুলি বহনের সময় আট গাজন সন্ন্যাসীকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার অধীন শক্তিগড় ফাঁড়ির পুলিশ। বর্ধমান থানার বেচারহাট এলাকার শ্মশান থেকে বাচ্চার মৃতদেহ এবং খুলিটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পুলিশ মৃতদেহ এবং খুলিটি বাজেয়াপ্ত করেছে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে মৃতদেহ এবং খুলিটির ময়না তদন্ত করিয়েছে পুলিশ। ধৃত আটজনেরই বাড়ি বর্ধমান থানার সোনা পলাশি গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চৈত্র মাসে গাজন উপলক্ষে বর্ধমানের কুড়মুন, সোনা পলাশি, পারুই, কুবাজপুর সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামে মড়ার খুলি নিয়ে নাচানাচি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে আSishur mrito deho & morar khuli pacharer somoy arrest 8 jon Gajon Sanyasi (6) copyট সন্ন্যাসী বেচারহাট শ্মশান থেকে মাস দুয়েকের বাচ্চাটির মৃত দেহ এবং মড়ার খুলি নিয়ে মোটর ভ্যানে সোনা পলাশি গ্রামে যাচ্ছিল। শক্তিগড় বাজার এলাকায় সন্ন্যাসীদের দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। তাঁরা ভ্যানটিকে আটকান। তল্লাশিতে বাচ্চার মৃতদেহ এবং মড়ার খুলি দেখতে পান স্থানীয়রা। এরপরই ভ্যানটিকে আটকে শক্তিগড় ফাঁড়িতে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শক্তিগড় ফাঁড়ির পুলিশ সন্ন্যাসীদের গ্রেপ্তার করে। ভ্যানটিকেও পুলিশ আটক করেছে। এদিনই ধৃতদের বর্ধমানের সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে হয়ে আSishur mrito deho & morar khuli pacharer somoy arrest 8 jon Gajon Sanyasi (5) copyসা এই অবৈজ্ঞানিক, আইনবিরোধী প্রথা বন্ধের জন্য পুলিশ-প্রশাসন সহ সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন ও প্রচার করে আসছে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি এবং হিউম্যানিস্টস অ্যাসোসিয়েশন। সাধারণ মানুষ এমনকি ঐ সমস্ত এলাকার কিছু মানুষ এই প্রথা বন্ধের পক্ষে মত প্রকাশ করলেও পুলিশ-প্রশাসনকে কোন দিনই এই প্রথা বন্ধের জন্য কোনও ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি। এমনকি ২০০৯ সালে তৎকালীন পুলিশ সুপারের কাছে এই দুই সংগঠনের পক্ষ থেকে এই প্রথা বন্ধের জন্য আবেদন করা হলে, তৎকালীন পুলিশ সুপার জানান,এমন কোনও ঘটনা এই জেলায় হয় বলে জানা নেই। যদিও প্রতি বছর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই মৃত মানুষের মাথার খুলি এবং মৃত শিশুর পচাগলা দেহ নিয়ে নাচানাচি হয়। আজকের এই সাধারণ মানুষের এগিয়ে এসে গাজন সন্ন্যাসীদের আটক করা এবং পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে যথাযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগী হওয়ায় আশার আলো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।




GAJON- KURMUN (3) copy
গাজনে মড়ার মাথা এবং মৃত শিশুর দেহ নিয়ে নৃত্যের ফাইল ফটো। কুড়মুন।
GAJON- KURMUN (13) copy
গাজনে মড়ার মাথা এবং মৃত শিশুর দেহ নিয়ে নৃত্যের ফাইল ফটো। কুড়মুন।

Friday, March 23, 2012

আন্তর্জাতিক নারী দিবস- একটু অন্যভাবে ভাবুন।


আন্তর্জাতিক নারী দিবস- একটু অন্যভাবে ভাবুন।

                                                             

                                                 

                        পাঁচ বাড়ি বাসন মাজে যে মহিলা ,

                                                             তাকে বলি এবার স্বাধীনতার

                                                             পঞ্চাশ বছর। জানো?

                                                             ব্যাজার রাগ রাগ মুখ করে মহিলা বলল,

                                                              তার এখনও দু বাড়ি কাজ বাকি।

                              (এই দিনগুলো/ ব্রত চক্রবর্তী )



দেখে ভালো লাগে কত কত গৃহবধু ছাপোষা জীবন ছেড়ে নতুন কিছু করার উদ্দ্যেশ্য আন্তর্জাতিক নারী দিবসে পথে নামেন হাজার সেমিনারের লাখো বক্তৃতায় প্রেক্ষাগৃহগুলি গমগম করে সেদিন তাদের আবেগ, পরিশ্রম, সংগ্রামী মানসিকতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং সহানুভুতি থাকলেও নারী আন্দোলনের কিছু পুরো ব্যাপারটিই কিছু মৌলিক প্রশ্নের সামনে এসে যায়

     হিন্দু-মুসলিম-খ্রীষ্টান যে ধর্মের দিকে তাকাই না কেন দেখতে পাবো সেখানে নারী রয়েছে দাসের ভুমিকায় আর পুরুষ প্রভুর মনুর বিধান হিন্দুদের এক অলঙ্ঘনীয় বিধান সেখানে চোখ রেখে দেখুন, পাবেন-

“পিতা রক্ষতি কৌমারে ভর্তা রক্ষতি যৌবনে

রক্ষন্তি স্থবিরে পুত্রা না স্ত্রী স্বাতন্ত্র্যহর্তি ।।

(মনুর বিধান ৯/৩)

অর্থাৎ নারীকে পিতা রক্ষা করবে কুমারী কালে,স্বামী যৌবনকালে, বার্ধক্যে পুত্ররা, স্ত্রী মানুষ স্বাধীনতার যোগ্যই নয় মনুসংহিতার ২/৬৭ তে আরও আছে যে,

বৈবাহিক বিধিঃ স্ত্রী নাং সংস্কারো বৈদকঃ স্মৃতঃ

পতিসেবা গুরৌবাসো গৃহার্থোহাগ্নি পরিক্রিয়া ।।

     কি বুঝলেন প্রিয় পাঠক পাঠিকারা ? আপনি হিন্দু হলে আপনাকে মানতেই হবে যে, বিয়েই নারীর বৈদিক উপনয়ন, পতিসেবা হল সারা জীবন গুরুগৃহ বাসের সমান, আর গৃহকর্মই হল হোমস্বরূপ অগ্নিপরিচর্যা যে সমস্ত মহিলারা একই সাথে ফেব্রুয়ারি মাসে শিবরাত্রি করেন আর মার্চে নারীদিবসে গলা ফাটান তাদের বলি শুনুন, মনু বলেছে ( ৫/১৫৪)- পতি সদাচারহীন, পরস্ত্রীর সাথে যৌন সম্পর্কযুক্ত বা গুণহীন হলেও সতী স্ত্রী সেই পতিকে দেবতার মতই পূজা করবে

      হিন্দুধর্মের সর্বত্র পুরুষের লাম্পট্য, অত্যাচার, শাসন কে পদে পদে স্বীকার করা হয়েছে, বাহবা দেওয়া হয়েছে তৈত্তীরিয় সংহিতায় (৬/৬/৮/৫) বলা হয়েছে- “ যজমান দীক্ষার দিনে গণিকা সাহচর্য বর্জন করবেন, তারপরদিন পরস্ত্রীর সাহচর্য এবং তৃ্তীয় দিন নিজ স্ত্রীর সাহচর্য বর্জন করবেন” অর্থাৎ দীক্ষার দিনেও পরস্ত্রীর সাহচর্য করার অনুমতি আছে দীক্ষার দিন ছাড়া অন্যান্য দিনে গণিকার কাছে যাওয়ার নিষেধ নেই আসলে গণিকা বা পরস্ত্রীর সাথে বিছানায় ওঠাকে হিন্দু ধর্ম কোনো দিনই নিষেধ করেনি বরং বেশ তোল্লায় দিয়েছে মনুসংহিতা এবং পুরাণ অনুযায়ী হিন্দু দেবতাদের  জন্ম, তাদের নারীলোলুপতা, নারীসঙ্গের যে বর্ণনা পাই তা যে কোনো পর্ণোগ্রাফির গল্পকেও হার মানাবে পৃথিবীর বড় বড় ধর্মগ্রন্থগুলোর মধ্যে ইসলাম এসেছে সবার পরে, অর্থাৎ সবচেয়ে আধুনিক তবু দেখা যায় নারী দমনে তার কাছে অন্যান্য ধর্মমতগুলোও হার মেনে যায় কোরাণে আছে (সুরা নিসা ২২৩), “স্ত্রী তোমাদের শস্য ক্ষেত্র তাই তোমাদের শস্য ক্ষেত্রে যেভাবে খুশি প্রবেশ করতে পারো” মুসলিম শরিয়া আইন তো ভয়ঙ্কর একজন স্বামী তার একগুচ্ছ স্ত্রীদের ওপর যখন তখন যৌন অধিকার ফলাতে পারে- যা ধর্ষনেরই নামান্তর স্বামীর অধিকার আছে কোনো কারন না দেখিয়ে শুধুমাত্র তিনবার তালাক শব্দটি উচ্চারণের মাধ্যমে যখন তখন স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেওয়ার কেনিয়া, ঘানা, সোমালিয়া, মিশর, নাইজেরিয়া, সুদান সহ বিভিন্ন দেশে রয়েছে খৎনা প্রথা কি নির্মম কি ভয়ঙ্কর স-অব এসেছে ধর্মের হাত ধরে খৎনার সময় বালিকার চিৎকার ঢেকে রাখতে আশেপাশের মহিলারা সুর করে গাইতে থাকে “আল্লা মহান, মহম্মদ তার নবী; আল্লা আমাদের সমস্ত পাপ থেকে দূরে রাখুক” মুসলিম নীতিনির্দেশক গ্রন্থ হাদিশে রয়েছে “নারী শয়তানের রূপে আসে আর শয়তানের রূপে যায়” অবশ্য নারীদের চুড়ান্ত ভাবে  অপমান করতে হিন্দুরাও কম যায়না মহাভারতের অনুশাসন (৩৮)পর্বে চোখ রাখলেই পাবেন, “ তুলা দন্ডের একদিকে যম, বায়ু, মৃত্যু, পাতাল, বাড়োবানল, ক্ষুরধার বিষ, সর্প ও আগুন কে রেখে অপরদিকে নারীকে স্থাপন করলে ভয়ানকত্বে উভয়ে সমান সমান হবে” কোথাও কোথাও নারীদের জোঁকের সাথে তুলনা করা হয়েছে তো কোথাও লাঠ্যৌষধ দেওয়ার কথাও বলা আছে

      ভারত রাষ্ট্রের আস্তিনে ঢোকানো তুরুপের তাস বিবেকানন্দও যে নারী প্রগতির আন্দোলনে বাধা দিয়েছেন। তিনি বরাবর সতীদাহ প্রথার পক্ষে ছিলেন, বিধবাদের পূনরায় বিবাহ পছন্দ করতেন না, মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন। যদিও বিবেকানন্দের কর্মজীবনের অর্ধশতাব্দী আগেই রামমোহন সতীদাহ বন্ধে ব্রতী হয়েছিলেন, বিদ্যাসাগর বিধবা বিবাহ চালু করেছিলেন, বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ রোধের জন্য আন্দোলনে নেমেছিলেন। হ্যাঁ। এটাই সত্যি। বিবেকানন্দের নিজের লেখা বই, পত্রাবলী পড়লেই বেরিয়ে আসে সত্যি টা। আসলে তিনি পুরুষতান্রিক সমাজের আর পাঁচটা সমর্থকের মতই ছিলেন, যারা চায়- নারীরা শিক্ষায় দীক্ষায় পুরুষদের সমকক্ষ হতে সচেষ্ট না হয়ে, মানুষ না হয়ে, নারী হিসেবেই তাদের অস্তিত্ব রক্ষা করুক। নারীর শিক্ষা হবে একটি খন্ডিত মানুষে পরিণত হওয়ার শিক্ষা। যে শিক্ষা আবর্তিত হবে গৃহকর্ম, রন্ধন, সেলাই, সহ্যগুণ, লজ্জা, সেবা, আচার ইত্যাদি বিষয়ে উৎকর্ষতা লাভের মধ্য দিয়ে। হে হিন্দু ফেমিনিষ্টরা দ্বিচারিতায় ভুগবেননা, যেকোনো একদিকে যান

      তবে, শুধু কি নারীই শোষিত? নাকি নারীকে দমন করছে যে পুরুষ, সেও তার সমাজের কাঠামোর প্রেক্ষিতে একই ভাবে শোষিত হচ্ছে না? ক্ষমতা যার হাতে সেই শোষন করতে পারে। তাই আমরা দেখেছি যে কোনো নারীই যখন ক্ষমতার পিরামিডে ওপরের দিকে বসেছে তখন সেও একই ভাবে মেতেছে শোষণ খেলায়। ইন্দিরা গান্ধি থেকে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, প্রিন্সিপ্যাল মিস পাকড়শী থেকে কমলার মা- তাকিয়ে দেখুন একবার। রাজনীতি,দুর্নীতি,সৌন্দর্য্য,যশ,অর্থ- ক্ষমতার উৎস অনেক কিছুই হতে পারে। স্বাধীনতা হরণ হচ্ছে মানুষের। যার অর্ধেক পুরুষ, অর্ধেক নারী। তাই আমাদের মত দেশে স্বাধীনতাহীনতার সমস্যাটি শুধু নারীর নয়, পুরুষেরও, যাদের সিংহভাগ কোনও না কোনও ভাবে স্থূল অর্থেই পরাধীন। যেসব লেখক, বুদ্ধিজীবি,ও সমাজ বিজ্ঞানীরা আজ নারী স্বাধীনতার পক্ষে কলম ধরেছেন তারা জানেন নারী স্বাধীনতা নিয়ে কলম চালানো নিরাপদ, সাথে উপরি পাওনা প্রগতিশীলতার তকমা। কিন্তু দেশের মানুষের সার্বিক স্বাধীনতার প্রশ্নে সরব হলে, প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুললে ধনিক শ্রেণি, তাদের পাপোশ সরকার, পুলিশ-প্রশাসনের সক্রিয় বিরোধিতার সামনা সামনি পড়তে হবে, রাষ্ট্রের তল্পিবাহক প্রচারমাধ্যমগুলি ব্ল্যাক আউট করবে, এসব অবধারিত বলেই তারা দেশের মানুষের সার্বিক স্বাধীনতার প্রশ্নটি নিয়ে আশ্চর্য রকম নীরব থাকেন। তাদের প্রায় সবাই ঝালে ঝোলে অম্বলে থাকাটাই পছন্দ করেন। তারা নারী দমনের অন্যতম হাতিয়ার বলে ধর্ম কে আঘাত করতে চাননা। কারণ তারা বরাবরই রাষ্ট্র নামক সিস্টেমটির কাছে প্রগতিশীল থাকতে চান। আন্দোলনকারীরা ভাবতে বসেন না, এতদিন নারীদের দমিয়ে রাখার ফলে যেমন লিঙ্গের ভিত্তিতে সমাজের অর্ধেক মানুষ বিভক্ত বিভক্ত ছিলেন, পিছিয়ে ছিলেন চিন্তায়-চেতনায়। তেমনি নারীবাদী আন্দোলনের গতিমুখ অনেকাংশেই পুরুষ বিদ্বেষী হয়ে পড়লে নারী-পুরুষের বিভেদটি রয়েই যাবে, যাতে লাভ হবে ক্ষমতার শীর্ষে বসে থাকা শোষকদেরই।

      নারী আন্দোলনে থাকব এবং মনে প্রানে হিন্দু বা মুসলিম বা খ্রীষ্টান থাকব, শিবের মত বর পাওয়ার জন্য শিবরাত্রি পালন করব এও যেমন হয়না তেমনি নারী আন্দোলনকে শোষক শ্রেণির বিরুদ্ধে শোষিতদের আন্দোলনের বাইরে গিয়ে ভাবাটাও মুর্খামির পর্যায়ে পড়ে কেননা ধর্মের ভিত্তিতে, জাতপাতের ভিত্তিতে, বর্ণের ভিত্তিতে যে বিভাজন চলে সেই বিভাজনেরই একটি অংশ হল লিঙ্গের ভিত্তিতে বিভাজন মানুষ এভাবে যতই বিভাজিত হতে থাকবে ততই শোষক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শোষিতদের ক্ষুব্ধতা, প্রতিরোধ, সংগ্রাম ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হতে হতে অণু পরমাণুতে পরিনত হবে



কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ

১)যুক্তিবাদের চোখে নারীমুক্তিঃ প্রবীর ঘোষ

২)নারীঃ হুমায়ুন আজাদ

৩)আনন্দবাজার পত্রিকা

৪) স্বামী বিবেকানন্দের বানী ও রচনা (পঞ্চম খন্ড)

৫) এই দিনগুলোঃ ব্রত চক্রবর্তী

Monday, September 12, 2011

THE BENGALI FILM 'CHATRAK' AND PAOLI-ANUBRATA'S NACKED BED SCENE

         ‘ছত্রাক সিনেমায় সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় পাওলি দামের বিছানা দৃশ্যে অভিনয় করার ঘটনায় এপার-ওপার দুই বাংলারই তামাম মিডিয়া গোষ্ঠী উত্তেজনায় ফুটছে। আনন্দবাজার পত্রিকা প্রথম পাতাতেীই নিউজটি কভার করল তো চ্যানেল টেন শুরু করল রতিকলার ফুটেজ দেখাতে। এ পত্রিকা বলে আমায় দেখ তো ও বলে আমায়। বাচ্চা থেকে বুড়ো-অনেকেই ইন্টারনেটে ইউটিউব খুলছে বাংলা সিনেমার নায়িকার পর্নো সিন দেখতে।

      ১১ সেপ্টেম্বর, রবিবার, বাঁকুড়ায় যুক্তিবাদী সমিতির সাপ্তাহিক স্টাডিক্লাশের প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল সিনেমা ছত্রাক। ঘটনাচক্রে এই দিনটি হিউম্যানিষ্টস অ্যাসোসিয়েশনের দশম প্রতিষ্ঠা দিবসও। শ্রীলঙ্কার পরিচালক বিমুক্কি জয়াসুন্দরের এই দ্বিভাষিক ছবিটিতে নায়িকার ভুমিকায় অভিনয় করেছেন পাওলি দাম। বিতর্ক শুরু হয়েছে ছবির একটি দৃশ্য নিয়ে যেখানে দেখা যায় যে, নায়িকা তার সহ-অভিনেতা অনুব্রতর সাথে ওরাল সেক্সে মত্ত। প্রায় চার মিনিট দীর্ঘ এই ক্লোজ আপ দৃশ্যটিতে পাওলি-অনুব্রত সম্পূর্ণ নগ্ন, একটুও সুতো নেই। টলিউড তো দূর অস্ত, বলিউডও সামনের কয়েকবছরে এরকম সিনে পৌঁছাতে পারবেনা হলফ করে বলা যায়।

            আ্লোচনা জমে উঠেছিল ডাঃ অনিন্দ্য রায়ের অনবদ্য বিশ্লেষন, কবি সুদীপ চট্ট্যোপাধ্যায়ের তথ্যনিষ্ঠ বক্তব্য, এবং সমাজসেবী ভাস্কর সেনের অসাধারণ কনক্লুশনে। সেখানে ছিলেন ঝাড়খন্ড স্টুডেন্ট ফেডারেশনের মুখপাত্র অমরেন্দ্র টুডু, ওই সংগঠনেরই সাগিনা মাহাত, এপিডিআর কর্মী অনিকেত রায়, সমাজসেবী বাপ্পাদিত্য হাজরা, যুক্তিবাদী সমিতির সুধীর হাঁসদা, আমি সহ আরো অনেকে। আলোচনার প্রথম পর্বে আলোচকরা এক বিষয়ে সিদ্ধান্তে এলেন যে, ঐ সিনেমায় পাওলির ওরাল সেক্সের দৃশ্যটি কতটা ন্যাচারাল বা কতটা ভালগার, চিত্রনাট্যের পরিপ্রেক্ষিতে দৃশ্যটির অবতারনার প্রয়োজন ছিল কি ছিল না, ঘোমটার আড়ালে থাকা বাঙ্গালী রমণীকূলের রক্ষণশীলতায় জোর ধাক্কা দিল কি দিল না-এসব নিয়ে আলোচনা করা বৃথা। কেননা কোন্ দৃশ্যকে আমরা ভালগার বলব সেটা আপেক্ষিক এবং ম্যান টু ম্যান ভ্যারি করে। আর সব ছবির পরিচালকই বলবে এই দৃশ্যটির শৈল্পিক প্রয়োজনীয়তা আছে, তার উদ্দেশ্য যতই না বাজারি হোক। বরং আমাদের আলোচনা হতে পারে এই সিনামাটি নিয়ে মিডিয়া গোষ্ঠীর ভয়ঙ্কর সব মতামত নিয়ে। এ টু জেড সব পত্রিকা্র এক সূর-বাংলা সিনেমা এতদিনে সাবালক হল। পাওলির-অনুব্রতর নগ্নতার দৃশ্যটিকে সবাই বাংলা চলচ্চিত্রের ম্যাদামারা সফরের অন্যতম বাঁক বলে মনে করছে। তাদের ভাবখানা এমন, যেন কয়েকটি থ্রি-এক্স মার্কা পর্নো দৃশ্য থাকলেই সিনেমা হয়ে যায় সাবালক আর তার নায়ক নায়িকারা সাহসী। পাওলি পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যদি বিছানায় যৌনতার সময় আমাদের গায়ে কাপড় না থাকে তবে পর্দায় সেই চরিত্রে অভিনয়ের সময় গায়ে কাপড় রাখতে হবে কেন?

       সুদীপ চট্টোপাধ্যায় তুললেন স্তানিস্কোভস্কি থেকে ব্রেখটের কথা। উঠে এল শিল্পের ক্রমবিকাশের প্রসঙ্গ। আর্টস ফর আর্টসসেক এর ধারনা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কি ভাবে বদলে যায় আর্টস ফর হিউম্যানসেকে। দেশে দেশে কমিউনিজমের হাওয়া এক্ষেত্রে সদর্থক ভুমিকা নিয়েছিল। অনিন্দ্য রায় বোঝালেন-শিল্প কি? ঘটনাকে অভিনয়ের মাধ্যমে রিয়েলিষ্টিক করে তোলা। গল্প, চিত্রনাট্য,অভিনয়- সবে মিলে দর্শকের সামনে এমন এক ইলিউশ্যন তৈরি হবে যাতে সে সত্যি বলে মনে করে। কোনো খুনের দৃশ্যকে আরও ভালো ফুটিয়ে তোলার জন্য কি সত্যি সত্যিই খুন করতে হয়? শোলে সিনেমায় গব্বর সিংযের এক থাপ্পড়ে মাছিটাকে মেরে ফেলা কি বলে দেয় না- সে কী চাইছে? একটি বিখ্যাত ইংরেজি সিনেমার একটি দৃশ্য- যেখানে একটি প্যারাম্বুলেটরে বসে থাকা শিশু ঢালু রাস্তায় গড়াতে গড়াতে যাচ্ছে, আর শিশুর বাবা পিছুপিছু দৌড়চ্ছেন বাঁচাতে। হঠাৎ দেখা গেল উলটো দিক থেকে একটি ট্রাক আসছে। না। শিল্পের প্রয়োজন মেটাতে কোনো সংঘর্ষের দৃশ্য দেখানো হয় নি। পরের সিনে সাদা স্ক্রিন। একটু একটু করে ভরে গেল রক্তিম আভায়। জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ছবি তাহাদের কথায় মিঠুনকে দেখা গেছে মাঠে পায়খানা সারতে। গল্পের প্রয়োজনে। কিন্তু চিত্রনাট্যের বা শিল্পের প্রয়োজনে তাকে সম্পুর্ণ উলংগ অবস্থায় দু পা ফাঁক করে সেই কাজটি করতে দেখা যায়নি। পারমিতার একদিনে অথর্ব শ্বাশুড়ীর ভুমিকায় অনবদ্য অপর্ণা সেনের প্রস্রাব দৃশ্যটিও কি একবারও কারোর মনে হয়েছে ভাল অভিনয় হয়নি? সেখানেও কিন্তু ওই ভাল অভিনয় করার জন্য তাকে উন্মুক্ত হতে হয়নি। কিছুদিন আগে জাপানীজ ওয়াইফ সিনেমায় নায়ক রাহুল বোসের স্ব-মৈথুন দৃশ্যের কথা ভাবুন। শিল্পের প্রয়োজন দেখাতে গিয়ে রাহুলকে সম্পূর্ন নগ্ন করা হয়নি। তাতেই দর্শক যা বোঝার বুঝে নিয়েছে। এক দশক আগের হিন্দি সিনেমা কেয়া কহনা তে নায়িকা প্রীতি জিন্টা কুমারী মা, কি অসাধারন সাহসী মহিলার গল্প।

           গোয়ালতোড়ের বাসিন্দা অমরেন্দ্রর চাছাঁছোলা বক্তব্য, কম পোশাক পরা যদি সাহসিকতার পরিচয় হয় তাহলে আমাদের দেশের গ্রামের নারীরা সবাই খুব সাহসী বলতে হবে, কারণ তাদের কারও উর্ধাঙ্গে পোশাকের বাহুল্য থাকেনা বললেই চলে। অনিকেত রেখা কালিন্দী, আফসানা খাতুন, পদ্মা রুইদাসের প্রসঙ্গ টেনে বললেন এরা কেউ নিজের বিয়ের সম্বন্ধ ভেঙ্গেছে, কেউ বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে গেছে বাল্যবিবাহের প্রতিবাদে। একমাস আগেই মানবাজারের মায়া বাউরি এলাকার চোলাই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমাছিলেন, তাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস এবং শোষনের বিরুদ্ধে যে সব মহিলারা নিজের জীবনের সমস্ত আশা আকাঙ্খা বিসর্জন দিয়ে বন্দুক তুলেছেন হাতে, জীবন কাটাচ্ছেন জঙ্গলে তারা কি কেউ সাহসী নয় নাকি তাদের বোধ-বুদ্ধি সাবালিকার মত নয়? সাহসিকতার সঙগা কে দেবে? ধনকুবের মিডিয়া গোষ্ঠীরা? যারা রাষ্ট্রের শোষণ ব্যবস্থার অন্যতম একটি পায়া রূপে কাজ করে এবং ছলে বলে কৌশলে দেশের যুবসমাজকে নানা লোভ, অপসংস্কৃতি, ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী করে রাখতে সর্বদা বদ্ধপরিকর।

        আসলে যারা সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন এবং যারা পর্দার পেছনে সকলেই সব কিছু জেনে শুনে সজ্ঞানে বাজারে নতুন কিছু নামানোর চেষ্টায় চার মিনিটের এই রগরগে সিনটি সিনেমায় রেখেছেন। পাওলি যেভাবে বিদেশের রেড কার্পেটে হাঁটাহাটি করা শুরু করেছেন তাতে কালের তত্ত্ব মেনে বার্লিন, কান কি কোথাও দু-একটা পুরস্কার জুটে গেলেও জুটে জেতেও পারে। কিন্তু তাতে আমাদের পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি জগতে কোনো পরিবর্তন হবে? নাকি বাংলা সিনেমায় কোনো প্রভাব পড়বে? ক্রমাগত এরকম চলচ্চিত্র মুক্তি পেতে থাকলে ভবিষ্যতে এদেশের সেন্সর বোর্ড ক্লোজ আপে নেওয়া চার মিনিটের সেই দীর্ঘ শটটি যেখানে দুজনেরই সমস্ত যৌনাঙ্গ স্পষ্ট প্রতীয়মান, বাদ দেবেই দেবে- হলফ করে বলা যাবে তো?

Saturday, August 6, 2011

‘রবীন্দ্রনাথের জন্য ছুটি দেবই সাফ কথা মমতার’ —— আনন্দবাজার পত্রিকা

গত ৩১ জুলাই আনন্দবাজার পত্রিকার “রবীন্দ্রনাথের জন্য ছুটি দেবই সাফ কথা মমতার” পড়ে কয়েকটি কথা ব্যক্ত করতে চাইছি। কথাগুলি বলার কারন এই যে, যখন পশ্চিমবঙ্গের প্রায় বেশীরভাগ সংবেদনশীল সাধারন মানুষ মমতা সরকারের প্রশাসনিক তৎপরতাকে প্রশংসার সাথে মেনে নিচ্ছে, সেই সময় এই হঠাৎ পদক্ষেপ রাজধানীর গতিতে ব্রেক কষা হল না কী? তার সাথে দূষ্টু সাংবাদিকদের প্রশ্নের খোঁচায় তিনি যখন জোর করে বলেন, “রবীন্দ্রনাথের জন্য ছুটি দিতে হলে বার বার দেবেন”- সেটি মমতার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গির সাথে খাপ খেলেও খাপ খায় না প্রশাসনিক এমার্জেন্সির কর্মতৎপরতার সাথে। মমতাদেবী ভুলে যাবেন না, বাম জমানার গয়ংগচ্ছ ঢিলেঢালা ভঙ্গিমা ছেড়ে সরকারি কর্মচারিরা আপনারই দেওয়া ছূটি বাতিলের সার্কুলেশনকে সাদরে মেনে নিয়েছে, তাদের এতদিনের ফাঁকিবাজির অভ্যাস কষ্ট করে নষ্ট করেছে আপনার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং কাজ করার তাগিদের জন্য। তারা এই রবীন্দ্র বাড়াবাড়িকে কী চোখে দেখছে একবারও ভেবে দেখেছেন? কেন্দ্রিয় এবং রাজ্য সরকার গত দেড় বছর ধরে যেভাবে সার্ধ শতবর্ষের নামে লেবু কচলে তেতো করছেন তাতে আমজনতার রবীন্দ্রপ্রীতি কতটা বাড়ছে বলা শক্ত তবে রবীন্দ্রনাথ যে গান্ধীজি, আম্বেদকর, সর্বপল্লী রাধাকৃ্ষ্ণণের মত রবীন্দ্রআদর্শ বিহীন মনীষিতে পরিনত হতে যাচ্ছেন তা নিশ্চিত। কংগ্রেসের টপ টু বটম কোন নেতা টি গান্ধির অহিংস নীতিতে বিশ্বাস করে বলুন তো? তারা সবাই ভোটে জেতে পেশীশক্তির জোরে, আদিবাসীদের জল-জঙ্গল-জমি দখল করে সেনা নামিয়ে। আম্বেদকর সংরক্ষণ নীতি এমন ভাবে শুরু করেছিলেন যাতে দু তিন দশকের মধ্যে দলিত শ্রেণিরা সমাজের ওপরের দিকে উঠে আসতে পারে। তার মতামত কে জলাঞ্জলি দিয়ে প্রতিটি রাজনৈতিক দল সংরক্ষণ নিয়ে ভোট ভোট খেলা খেলছে। প্রতি বছর ঘটা করে শিক্ষক দিবস পালন করেও পেশাগত ভাবে অবনমনের তালিকায় শিক্ষকের স্থান আজ দু নম্বরে, ডাক্তারের পরেই। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ভেবে দেখা উচিৎ, প্রায় প্রতিটি মনীষীরই এরকম অবস্থা, তারা এক বলে গেছেন, করি আমরা উলটো। এটাই আমাদের রেওয়াজ, এটাই আমাদের সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা হলাম বিশ্ব আঁতেল। রবীন্দ্রনাথের গান গাই, পদ্য বলি ঘাড় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে, চোখ বেঁকিয়ে বেঁকিয়ে। আসলে আমরা মুখস্ত বলি। আত্তীকরন করিনা। করলে এত অপকর্ম আমাদের দ্বারা হত না।
এই পরিবর্তনের সময়ে আপনি যদি ভাবতেন যে, রবি ঠাকুর বলে গেছেন- “সমবায় প্রনালীতে জীবিকানির্বাহই আমাদের দেশকে দারিদ্র্য বাঁচাবার একমাত্র উপায়…………শুধু আমাদের দেশ কেন পৃ্থিবীর সকল দেশেই এই প্রনালী একদিন বড় হইয়া উঠিবে”। তাহলে এক কাজ করা যাক, রবি ঠাকুরের সমবায় চিন্তার যে যে দিকগুলি একবিংশ শতাব্দীতেও প্রযোজ্য সেগুলি প্রয়োগ করে কোটরে ঢুকে যাওয়া কুটির শিল্প এবং সমবায় দপ্তর কে ঢেলে সাজাই। রবি ঠাকুর যেহেতু বলেছেন “ ধনের পুজা প্রবল হয়ে উঠেছে………ধনলোভের মত এমন নিষ্ঠুর এবং অন্যায়পরায়ণ প্রবৃত্তি আর নেই”। তাহলে সামনের মরসুমে পাঠশালা থেকেই তার এরকম কোটেশন গুলি ছাত্রছাত্রীদের মনে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। বিশ্বকবির বিখ্যাত ‘রাজর্ষি’ কে সম্মান দিয়ে অন্তত ধর্মের নামে নির্বিচারে হাজার হাজার পশুবলি বন্ধ করা যেত। কিছু না পারলেও বাঁকুড়া জেলার যে কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছোট ছোট শিশুদের সামনে মনসা পুজো উপলক্ষ্যে ঝপাঝপ বলি হতে থাকে সেই বীভৎসতা বন্ধ করার প্রজেক্ট নেওয়া যেত। জানেন কি হাজার প্রতিবাদ সত্বেও ঐ বিদ্যালয়গুলির কমিটি এবছরও পয়লা ভাদ্র পশুবলি করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপনার জানার কথা কেননা প্রশাসন কে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তার কপি আপনাকেও দেওয়া হয়েছে। জানিনা কচি মন গুলির চোখের সামনে যখন রক্ত-লীলার হোলি হবে তখন আপনি রবি ঠাকুর নিয়ে কি প্ল্যান করবেন। রবীন্দ্রনাথের দাও ফিরে সে অরণ্য লও এ নগর কে স্লোগান করে আগামী পাঁচ বছরের বৃক্ষ রোপনের একটা লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা যেত না কী? বাম জমানায় শুয়ে যাওয়া শিক্ষা ব্যবস্থা কে রবি ভাবনায় শিক্ষিত করার প্রজেক্ট নেওয়া যায় নিশ্চয়?
রবীন্দ্রনাথ কেন যে কোনো মনীষী কেই সম্মান জানানো যায় তার চিন্তা, তার আদর্শ, তার স্বপ্নকে পূর্ণ করার মাধ্যমে। তাকে নিয়ে হাজার নাচানাচি বা আঁতলামোর মাধ্যমে নয়।

Tuesday, July 13, 2010

জানগুরু গ্রেপ্তার


গত ১৪ এপ্রিল রাতে রাইপুর ব্লকের সোনাগাড়া গ্রামপঞ্চায়েতের লোহামেড়্যা গ্রামের ষাটোর্ধ মহিলা কিরণবালা সর্দারকে ডাইনি অপবাদে মুখে অ্যাসিড দিল প্রতিবেশী জানগুরু মানিক যুগী।মানিক যুগী সেদিন এসে বলেছিল সে জলপড়া দিয়ে কিরণবালার ডাইনি ছাড়িয়ে দেবে। জলপড়াতে মানসিক রোগগ্রস্ত ছেলে সুস্থ হয়ে যাবে এমনকি নিঃসন্তান বৌমার বাচ্চাও হবে বলে দাবি করেছিল মানিক। অমাবস্যার গভীর রাতে মাত্র একজন সঙ্গীকে নিয়ে গোপনে এসেছিল মানিক। দীর্ঘ বছর ধরে অত্যাচারিত পরিবার ভেবেছিল হয়তো বা মানিকই ঠিক। কিন্তু এসব প্রতারকদের মনের আসল খবর কে বা রাখে। জলপড়ার নাম করে সে বৃ্দ্ধা কিরনবালার মুখে ঢেলে দেয় তীব্র অ্যাসিড। অ্যাসিডে মুখ, গলা, বুক, পিঠ, হাত ভয়ঙ্কর ভাবে পুড়ে যায়। আশঙ্কাজনক ভাবে বৃদ্ধাকে রাইপুর গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খবর পাওয়া মাত্রই যুক্তিবাদী সমিতির পক্ষ থেকে আমরা সেখানে যাই। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক, পুলিশ, বিডিও এবং এলাকার লোকেদের সাথে কথা বলি। ডাইনি সংক্রান্ত সমস্যার মোকাবিলায় ওই এলাকায় কুসংস্কার দূরীকরনের লক্ষ্যে যুক্তিবাদী সমিতির পক্ষ থেকে একটি কর্মসূচী নেওয়া হয়।আমরা আমাদের কুসংস্কার বিরোধী স্ট্রীট কর্ণার শুরু করি।২৮ এপ্রিল রাইপুরের বিডিওকে একটি চিঠি দিলাম যাতে আমাদের দাবি ছিল - ঘটনায় দোষী জানগুরু মানিক যুগীর বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং কেসটিকে সাধারন মারধোরের ঘটনা বলে অযথা লঘু করে না দেখে যা সত্য সেই ডাইনি সংক্রান্ত কেস দিয়ে তদন্ত হোক। এর সাথে আমাদের একটি অন্যতম দাবি ছিল যে, কিরনবালার চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে। এই চিঠির কপি দেওয়া হয় এস ডি ও, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারকে।অবশেষে দীর্ঘ টালবাহানার পর গ্রেপ্তার হয় জানগুরু মানিক যুগী। এই জেলার ইতিহাসে জানগুরু গ্রেপ্তার একদম বিরল ঘটনা।

Wednesday, May 13, 2009

INR 25,00,000 challenge to all astrologers to forecast result of Parliament Election 2009

Science and Rationalists’ Association of India (Bharayatiya Bigyan o Yuktibadi Samiti) challenges all astrologers to forecast following results / information regarding Parliament Election 2009:--
How many seats will be acquired by Congress, BJP, TMC, CPI(M), BSP, RJD, Samajbadi Party, DMK, AIDMK?
How much differences in votes will remain to win/lose for Manmohan Singh, Sonia Gandhi, Lalkrishna Advani, Mamata Bandopadhyay, Laluprasad Yadav, Rambilas Paswan from their respective nearest opponents?
If any astrologer can forecast the correct result, Science and Rationalists’ Association of India will give him INR 25,00,000.00 (Twenty five lakhs Indian Rupees) (approx US$50,000.00) and shut down the Association.
Astrologers should forecast on 14th or 15th May 2009. They should send their forecast to Science and Rationalists’ Association of India by email (Email id of General Secretary: prabir_rationalist@hotmail.com , Email id of President: sumitra_humanist@hotmail.com ) and any of the following Press:
Anandabazar Patrika
Bartaman
Star Ananda
Kolkata TV
The Statesman
The Times of India
NDTV
Aajtak
BBC
PTI
UNI
AFP
AP
Astrologers have the habit of announcing after every election that, they had predicted the correct result. Science and Rationalists’ Association of India challenges in order to stop such false propaganda.
Prabir Ghosh,General Secretary,Science and Rationalists’ Association of India
Sumitra Padmanabhan,President,Science and Rationalists’ Association of India