Showing posts with label CULTURE. Show all posts
Showing posts with label CULTURE. Show all posts

Wednesday, September 4, 2019

SUNDAY

S  U  N
D  A  Y
রবিবার হলেই হইহই করে সবাই রাজপথে নেমে পড়ে। চলে নাচগান, চলে মুকাভিনয়-নাটক-যোগব্যায়াম-জিমন্যাস্টিক। যতক্ষণ এসব চলে, সকাল সাতটা থেকে দুপুর দুটো- শহরের ১২০ কিলোমিটার রাজপথে একটিও মোটরগাড়ি চলে না। যারা হাঁটেন তারা তোঁ হাঁটবেনই। বাকিরা সাইকেলে চেপে ঘুরে বেড়ান। রাজপথের মসৃন বুকে বালক-বালিকারা কেউ কেউ স্কেট করতে করতে যায়।

‘সাইক্লোভ’। ১৯৭৪ সাল থেকে কলম্বিয়ার বোগোতা শহরের প্রতিটি রবিবার এভাবেই কেটে আসছে। প্রচলিত ব্যবস্থাকে তোয়াক্কা না করে একটু অন্যরকম, শুধুমাত্র একটু অন্যভাবে বাঁচতে এবং দূষণহীন কিছুটা সময় কাটানোর জন্য শহরের সাইকেলপ্রেমী যুবকেরা যে পরবের সূত্রপাত করেছিলেন সময়ের সাথে সাথে সেই পরবের ব্যাপ্তি বেড়েছে। মাত্র দু বছরের মাথায়, ১৯৭৬ সালেই এই উৎসবে সরকারি সিলমোহর পড়ে। শহরের বিশাল সংখ্যক জনগণ এতে সামিল হতে থাকেন। শহরবাসীরা সাইক্লোভকে এতটাই ভালোবেসে ফেলেছেন যে, ২০০৭ এ হঠাৎই কিছু কিছু রাজনৈতিক নেতা সাইক্লোভ নিষিদ্ধ করে দেওয়া জন্য আইন আনতে চাইলে গণচাপে সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। এখন তো শুধুমাত্র রবিবার নয়, অন্যান্য পাবলিক ছুটির দিনেও বোগোতার ওই সব রাস্তায় ধোঁয়াচালিত যান বন্ধ করে দেওয়া হয়। সকাল হলেই রাস্তায় নেমে পড়েন শহরের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ, সংখ্যায় প্রায় কুড়ি লাখ।

কলম্বিয়ার দেখাদেখি অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্ট-মেলবোর্ণ, আর্জেণ্টিনার রোজারিও, বেলজিয়ামের ব্রাসেলস, কানাডার উইনিপেগ-ভ্যাঙ্কুভার-হ্যামিলটন-ওটাওয়া-টরেণ্টোতে ‘সাইক্লোভ’ শুরু করা হয়েছিল। কোথাও এখনো চলে, কোথাও পারা যায়নি।

পরীক্ষানিরীক্ষার শেষ নেই। ব্রাজিলে বড় কয়েকটি শহরে রবিবার কয়েকটি রাস্তা শুধুমাত্র পদযাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। চিলির সাণ্টিয়াগোতে প্রতি রবিবার সকালে ৩২ কিলোমিটার রাস্তা মোটরগাড়ি নিষিদ্ধ। বোগোতার মতই সেখানে সাইকেল, স্কেটিং নিয়ে মানুষ রস্তায় নেমে পড়েন।
কোস্টারিকা, গুয়াতেমালা, মেক্সিকো, পেরু, নিউজিল্যাণ্ড, ইকুয়েডর, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের মানুষ বোগোতার ‘সাইক্লোভ’ মডেল চালু করেছে। জনচাপ প্রশাসনকে নড়াতে পারে- সাইক্লোভ এর উদাহরণ।

ভারতে? হ্যাঁ। ‘রাহগিরি’ নাম দিয়ে গুরগাঁওতে ২০১৩ সালে একটিবার চেষ্টা করা হয়েছিল।

শুধুমাত্র দূষন থেকে বাঁচতে? নাকি ভোগবাদী সমাজ নিজের সংকট থেকে বেরোতে উপায় বের করার চেষ্টা করছে? নিরন্তর মারকাটারি লেগে থাকা অস্থির কলম্বিয়াবাসীরা এরকম আপদে নিয়মকে আপন করে মেনে নিলেন কেন?       

photo courtsey: google.com

Tuesday, August 19, 2014

we are disclosing the miracle behind FIRE WALKING.

 
 
its our regular antisuperstition school programme. this time we are in CHHATNA GIRLS HOGH SCHOOL of BANKURA DISTRICT in INDIA. we are disclosing the miracle behind FIRE WALKING.

in india , many godmen walk on fire and they said it is miracle. So, in our anti superstition programme we disclose this miracle by walking. At first we disclose the science behind it and walk on fire, then we invites the villagers. they walk with us and this process they know that nothing is miracle in case of fire walking. But in school premises sometimes it is impossible to arrange the space of fire walking. So we depends up on this stick. We are describing the fact and demo is a fired stick. IF THE FIRE TOUCHED OUR SKIN FOR A SMALL MOMENT ( LESS THEN 1/3 SECOND) THEN OUR SKIN NEVER BURNED......

Saturday, July 26, 2014

A 9 year old girl was mentally tortured after being accused as witch by the villagers in WestBengal.


Borogora village in District Purulia of West Bengal. Last week, a 9 year old girl Sumitra Hansda was mentally tortured after being accused as witch by the villagers. Sabujmoni, mother of Sumitra left the village and took a safe shelter. She told us villagers are demanding 1 lakh rupee as a fine. She also told us, villagers threatened her if she does not pay, she will de-head. A few months ago, Sabujmoni’s mother in law Tusumoni was also tortured by the villagers as a witch and the family was fined Rupees 50000. The poverty stricken family was forced to pay the money by selling the domestic cattle like buffalos, goats. Now, sabujmoni have decided not to pay the money demanded by the villagers again. They have decided to fight against the judgment of villagers.
The members of our organisation "Science and Rationalists Association of India" tried to convince the villagers. We  met local poice station create the pressure on administration to take a strong action. We also spread our helping hand to Sabujmoni, if she agree to a legal fight.
 

Friday, December 20, 2013

HOMOSEXUALITY MAY HARM YOU.


 It is very important to understand that human physiology is not designed to accommodate this activity. I would not just call it unnatural but unhygienic and unhealthy too. Vagina is much different from the rectum with regard to suitability of intercourse. Vagina has lubricants and muscle network along with special kind of epithelial covering which allows friction without causing any damage. On the other hand, rectum and anus are just meant for the exit of stools. Repeated trauma, stretching and friction may cause anal sphincter to become loose leading to chronic leakage of fecal matter.
Anal intercourse can cause severe bleeding from anus. Moreover, unprotected anal intercourse leads to mixing of ejaculate and blood of the partners and highly increases the risk of transmission of HIV and other sexually transmitted diseases like syphilis and gonorrhea. for further information read- http://www.srai.org/how-healthy-is-it-to-enter-from-the-rear-gate/

HOMOSEXUALITY AND COMMUNIST COUNTRY


At the first phase of socialist govt in Soviet Russia homosexuality was not a subject matter because the communist leaders were not so much worried about this matter. But when Stalin came into power he banned homosexuality. During the Stalin era (1933-1953), Article 121 was added to the criminal code, for the entire Soviet Union, that expressly prohibited homosexuality, with up to five years of hard labor in prison.
Those who are so much vocal in favour of gay rights and claims themselves as communists, please go through Mao Zedong during the time of Cultural Revolution. For further studies they should read thoroughly the related laws in Soviet Russia during the Stalin era.
Most of the communist country does not allow it in their constitution.

Monday, September 12, 2011

THE BENGALI FILM 'CHATRAK' AND PAOLI-ANUBRATA'S NACKED BED SCENE

         ‘ছত্রাক সিনেমায় সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় পাওলি দামের বিছানা দৃশ্যে অভিনয় করার ঘটনায় এপার-ওপার দুই বাংলারই তামাম মিডিয়া গোষ্ঠী উত্তেজনায় ফুটছে। আনন্দবাজার পত্রিকা প্রথম পাতাতেীই নিউজটি কভার করল তো চ্যানেল টেন শুরু করল রতিকলার ফুটেজ দেখাতে। এ পত্রিকা বলে আমায় দেখ তো ও বলে আমায়। বাচ্চা থেকে বুড়ো-অনেকেই ইন্টারনেটে ইউটিউব খুলছে বাংলা সিনেমার নায়িকার পর্নো সিন দেখতে।

      ১১ সেপ্টেম্বর, রবিবার, বাঁকুড়ায় যুক্তিবাদী সমিতির সাপ্তাহিক স্টাডিক্লাশের প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল সিনেমা ছত্রাক। ঘটনাচক্রে এই দিনটি হিউম্যানিষ্টস অ্যাসোসিয়েশনের দশম প্রতিষ্ঠা দিবসও। শ্রীলঙ্কার পরিচালক বিমুক্কি জয়াসুন্দরের এই দ্বিভাষিক ছবিটিতে নায়িকার ভুমিকায় অভিনয় করেছেন পাওলি দাম। বিতর্ক শুরু হয়েছে ছবির একটি দৃশ্য নিয়ে যেখানে দেখা যায় যে, নায়িকা তার সহ-অভিনেতা অনুব্রতর সাথে ওরাল সেক্সে মত্ত। প্রায় চার মিনিট দীর্ঘ এই ক্লোজ আপ দৃশ্যটিতে পাওলি-অনুব্রত সম্পূর্ণ নগ্ন, একটুও সুতো নেই। টলিউড তো দূর অস্ত, বলিউডও সামনের কয়েকবছরে এরকম সিনে পৌঁছাতে পারবেনা হলফ করে বলা যায়।

            আ্লোচনা জমে উঠেছিল ডাঃ অনিন্দ্য রায়ের অনবদ্য বিশ্লেষন, কবি সুদীপ চট্ট্যোপাধ্যায়ের তথ্যনিষ্ঠ বক্তব্য, এবং সমাজসেবী ভাস্কর সেনের অসাধারণ কনক্লুশনে। সেখানে ছিলেন ঝাড়খন্ড স্টুডেন্ট ফেডারেশনের মুখপাত্র অমরেন্দ্র টুডু, ওই সংগঠনেরই সাগিনা মাহাত, এপিডিআর কর্মী অনিকেত রায়, সমাজসেবী বাপ্পাদিত্য হাজরা, যুক্তিবাদী সমিতির সুধীর হাঁসদা, আমি সহ আরো অনেকে। আলোচনার প্রথম পর্বে আলোচকরা এক বিষয়ে সিদ্ধান্তে এলেন যে, ঐ সিনেমায় পাওলির ওরাল সেক্সের দৃশ্যটি কতটা ন্যাচারাল বা কতটা ভালগার, চিত্রনাট্যের পরিপ্রেক্ষিতে দৃশ্যটির অবতারনার প্রয়োজন ছিল কি ছিল না, ঘোমটার আড়ালে থাকা বাঙ্গালী রমণীকূলের রক্ষণশীলতায় জোর ধাক্কা দিল কি দিল না-এসব নিয়ে আলোচনা করা বৃথা। কেননা কোন্ দৃশ্যকে আমরা ভালগার বলব সেটা আপেক্ষিক এবং ম্যান টু ম্যান ভ্যারি করে। আর সব ছবির পরিচালকই বলবে এই দৃশ্যটির শৈল্পিক প্রয়োজনীয়তা আছে, তার উদ্দেশ্য যতই না বাজারি হোক। বরং আমাদের আলোচনা হতে পারে এই সিনামাটি নিয়ে মিডিয়া গোষ্ঠীর ভয়ঙ্কর সব মতামত নিয়ে। এ টু জেড সব পত্রিকা্র এক সূর-বাংলা সিনেমা এতদিনে সাবালক হল। পাওলির-অনুব্রতর নগ্নতার দৃশ্যটিকে সবাই বাংলা চলচ্চিত্রের ম্যাদামারা সফরের অন্যতম বাঁক বলে মনে করছে। তাদের ভাবখানা এমন, যেন কয়েকটি থ্রি-এক্স মার্কা পর্নো দৃশ্য থাকলেই সিনেমা হয়ে যায় সাবালক আর তার নায়ক নায়িকারা সাহসী। পাওলি পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যদি বিছানায় যৌনতার সময় আমাদের গায়ে কাপড় না থাকে তবে পর্দায় সেই চরিত্রে অভিনয়ের সময় গায়ে কাপড় রাখতে হবে কেন?

       সুদীপ চট্টোপাধ্যায় তুললেন স্তানিস্কোভস্কি থেকে ব্রেখটের কথা। উঠে এল শিল্পের ক্রমবিকাশের প্রসঙ্গ। আর্টস ফর আর্টসসেক এর ধারনা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কি ভাবে বদলে যায় আর্টস ফর হিউম্যানসেকে। দেশে দেশে কমিউনিজমের হাওয়া এক্ষেত্রে সদর্থক ভুমিকা নিয়েছিল। অনিন্দ্য রায় বোঝালেন-শিল্প কি? ঘটনাকে অভিনয়ের মাধ্যমে রিয়েলিষ্টিক করে তোলা। গল্প, চিত্রনাট্য,অভিনয়- সবে মিলে দর্শকের সামনে এমন এক ইলিউশ্যন তৈরি হবে যাতে সে সত্যি বলে মনে করে। কোনো খুনের দৃশ্যকে আরও ভালো ফুটিয়ে তোলার জন্য কি সত্যি সত্যিই খুন করতে হয়? শোলে সিনেমায় গব্বর সিংযের এক থাপ্পড়ে মাছিটাকে মেরে ফেলা কি বলে দেয় না- সে কী চাইছে? একটি বিখ্যাত ইংরেজি সিনেমার একটি দৃশ্য- যেখানে একটি প্যারাম্বুলেটরে বসে থাকা শিশু ঢালু রাস্তায় গড়াতে গড়াতে যাচ্ছে, আর শিশুর বাবা পিছুপিছু দৌড়চ্ছেন বাঁচাতে। হঠাৎ দেখা গেল উলটো দিক থেকে একটি ট্রাক আসছে। না। শিল্পের প্রয়োজন মেটাতে কোনো সংঘর্ষের দৃশ্য দেখানো হয় নি। পরের সিনে সাদা স্ক্রিন। একটু একটু করে ভরে গেল রক্তিম আভায়। জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ছবি তাহাদের কথায় মিঠুনকে দেখা গেছে মাঠে পায়খানা সারতে। গল্পের প্রয়োজনে। কিন্তু চিত্রনাট্যের বা শিল্পের প্রয়োজনে তাকে সম্পুর্ণ উলংগ অবস্থায় দু পা ফাঁক করে সেই কাজটি করতে দেখা যায়নি। পারমিতার একদিনে অথর্ব শ্বাশুড়ীর ভুমিকায় অনবদ্য অপর্ণা সেনের প্রস্রাব দৃশ্যটিও কি একবারও কারোর মনে হয়েছে ভাল অভিনয় হয়নি? সেখানেও কিন্তু ওই ভাল অভিনয় করার জন্য তাকে উন্মুক্ত হতে হয়নি। কিছুদিন আগে জাপানীজ ওয়াইফ সিনেমায় নায়ক রাহুল বোসের স্ব-মৈথুন দৃশ্যের কথা ভাবুন। শিল্পের প্রয়োজন দেখাতে গিয়ে রাহুলকে সম্পূর্ন নগ্ন করা হয়নি। তাতেই দর্শক যা বোঝার বুঝে নিয়েছে। এক দশক আগের হিন্দি সিনেমা কেয়া কহনা তে নায়িকা প্রীতি জিন্টা কুমারী মা, কি অসাধারন সাহসী মহিলার গল্প।

           গোয়ালতোড়ের বাসিন্দা অমরেন্দ্রর চাছাঁছোলা বক্তব্য, কম পোশাক পরা যদি সাহসিকতার পরিচয় হয় তাহলে আমাদের দেশের গ্রামের নারীরা সবাই খুব সাহসী বলতে হবে, কারণ তাদের কারও উর্ধাঙ্গে পোশাকের বাহুল্য থাকেনা বললেই চলে। অনিকেত রেখা কালিন্দী, আফসানা খাতুন, পদ্মা রুইদাসের প্রসঙ্গ টেনে বললেন এরা কেউ নিজের বিয়ের সম্বন্ধ ভেঙ্গেছে, কেউ বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে গেছে বাল্যবিবাহের প্রতিবাদে। একমাস আগেই মানবাজারের মায়া বাউরি এলাকার চোলাই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমাছিলেন, তাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস এবং শোষনের বিরুদ্ধে যে সব মহিলারা নিজের জীবনের সমস্ত আশা আকাঙ্খা বিসর্জন দিয়ে বন্দুক তুলেছেন হাতে, জীবন কাটাচ্ছেন জঙ্গলে তারা কি কেউ সাহসী নয় নাকি তাদের বোধ-বুদ্ধি সাবালিকার মত নয়? সাহসিকতার সঙগা কে দেবে? ধনকুবের মিডিয়া গোষ্ঠীরা? যারা রাষ্ট্রের শোষণ ব্যবস্থার অন্যতম একটি পায়া রূপে কাজ করে এবং ছলে বলে কৌশলে দেশের যুবসমাজকে নানা লোভ, অপসংস্কৃতি, ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী করে রাখতে সর্বদা বদ্ধপরিকর।

        আসলে যারা সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন এবং যারা পর্দার পেছনে সকলেই সব কিছু জেনে শুনে সজ্ঞানে বাজারে নতুন কিছু নামানোর চেষ্টায় চার মিনিটের এই রগরগে সিনটি সিনেমায় রেখেছেন। পাওলি যেভাবে বিদেশের রেড কার্পেটে হাঁটাহাটি করা শুরু করেছেন তাতে কালের তত্ত্ব মেনে বার্লিন, কান কি কোথাও দু-একটা পুরস্কার জুটে গেলেও জুটে জেতেও পারে। কিন্তু তাতে আমাদের পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি জগতে কোনো পরিবর্তন হবে? নাকি বাংলা সিনেমায় কোনো প্রভাব পড়বে? ক্রমাগত এরকম চলচ্চিত্র মুক্তি পেতে থাকলে ভবিষ্যতে এদেশের সেন্সর বোর্ড ক্লোজ আপে নেওয়া চার মিনিটের সেই দীর্ঘ শটটি যেখানে দুজনেরই সমস্ত যৌনাঙ্গ স্পষ্ট প্রতীয়মান, বাদ দেবেই দেবে- হলফ করে বলা যাবে তো?

Saturday, August 6, 2011

‘রবীন্দ্রনাথের জন্য ছুটি দেবই সাফ কথা মমতার’ —— আনন্দবাজার পত্রিকা

গত ৩১ জুলাই আনন্দবাজার পত্রিকার “রবীন্দ্রনাথের জন্য ছুটি দেবই সাফ কথা মমতার” পড়ে কয়েকটি কথা ব্যক্ত করতে চাইছি। কথাগুলি বলার কারন এই যে, যখন পশ্চিমবঙ্গের প্রায় বেশীরভাগ সংবেদনশীল সাধারন মানুষ মমতা সরকারের প্রশাসনিক তৎপরতাকে প্রশংসার সাথে মেনে নিচ্ছে, সেই সময় এই হঠাৎ পদক্ষেপ রাজধানীর গতিতে ব্রেক কষা হল না কী? তার সাথে দূষ্টু সাংবাদিকদের প্রশ্নের খোঁচায় তিনি যখন জোর করে বলেন, “রবীন্দ্রনাথের জন্য ছুটি দিতে হলে বার বার দেবেন”- সেটি মমতার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গির সাথে খাপ খেলেও খাপ খায় না প্রশাসনিক এমার্জেন্সির কর্মতৎপরতার সাথে। মমতাদেবী ভুলে যাবেন না, বাম জমানার গয়ংগচ্ছ ঢিলেঢালা ভঙ্গিমা ছেড়ে সরকারি কর্মচারিরা আপনারই দেওয়া ছূটি বাতিলের সার্কুলেশনকে সাদরে মেনে নিয়েছে, তাদের এতদিনের ফাঁকিবাজির অভ্যাস কষ্ট করে নষ্ট করেছে আপনার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং কাজ করার তাগিদের জন্য। তারা এই রবীন্দ্র বাড়াবাড়িকে কী চোখে দেখছে একবারও ভেবে দেখেছেন? কেন্দ্রিয় এবং রাজ্য সরকার গত দেড় বছর ধরে যেভাবে সার্ধ শতবর্ষের নামে লেবু কচলে তেতো করছেন তাতে আমজনতার রবীন্দ্রপ্রীতি কতটা বাড়ছে বলা শক্ত তবে রবীন্দ্রনাথ যে গান্ধীজি, আম্বেদকর, সর্বপল্লী রাধাকৃ্ষ্ণণের মত রবীন্দ্রআদর্শ বিহীন মনীষিতে পরিনত হতে যাচ্ছেন তা নিশ্চিত। কংগ্রেসের টপ টু বটম কোন নেতা টি গান্ধির অহিংস নীতিতে বিশ্বাস করে বলুন তো? তারা সবাই ভোটে জেতে পেশীশক্তির জোরে, আদিবাসীদের জল-জঙ্গল-জমি দখল করে সেনা নামিয়ে। আম্বেদকর সংরক্ষণ নীতি এমন ভাবে শুরু করেছিলেন যাতে দু তিন দশকের মধ্যে দলিত শ্রেণিরা সমাজের ওপরের দিকে উঠে আসতে পারে। তার মতামত কে জলাঞ্জলি দিয়ে প্রতিটি রাজনৈতিক দল সংরক্ষণ নিয়ে ভোট ভোট খেলা খেলছে। প্রতি বছর ঘটা করে শিক্ষক দিবস পালন করেও পেশাগত ভাবে অবনমনের তালিকায় শিক্ষকের স্থান আজ দু নম্বরে, ডাক্তারের পরেই। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ভেবে দেখা উচিৎ, প্রায় প্রতিটি মনীষীরই এরকম অবস্থা, তারা এক বলে গেছেন, করি আমরা উলটো। এটাই আমাদের রেওয়াজ, এটাই আমাদের সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা হলাম বিশ্ব আঁতেল। রবীন্দ্রনাথের গান গাই, পদ্য বলি ঘাড় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে, চোখ বেঁকিয়ে বেঁকিয়ে। আসলে আমরা মুখস্ত বলি। আত্তীকরন করিনা। করলে এত অপকর্ম আমাদের দ্বারা হত না।
এই পরিবর্তনের সময়ে আপনি যদি ভাবতেন যে, রবি ঠাকুর বলে গেছেন- “সমবায় প্রনালীতে জীবিকানির্বাহই আমাদের দেশকে দারিদ্র্য বাঁচাবার একমাত্র উপায়…………শুধু আমাদের দেশ কেন পৃ্থিবীর সকল দেশেই এই প্রনালী একদিন বড় হইয়া উঠিবে”। তাহলে এক কাজ করা যাক, রবি ঠাকুরের সমবায় চিন্তার যে যে দিকগুলি একবিংশ শতাব্দীতেও প্রযোজ্য সেগুলি প্রয়োগ করে কোটরে ঢুকে যাওয়া কুটির শিল্প এবং সমবায় দপ্তর কে ঢেলে সাজাই। রবি ঠাকুর যেহেতু বলেছেন “ ধনের পুজা প্রবল হয়ে উঠেছে………ধনলোভের মত এমন নিষ্ঠুর এবং অন্যায়পরায়ণ প্রবৃত্তি আর নেই”। তাহলে সামনের মরসুমে পাঠশালা থেকেই তার এরকম কোটেশন গুলি ছাত্রছাত্রীদের মনে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। বিশ্বকবির বিখ্যাত ‘রাজর্ষি’ কে সম্মান দিয়ে অন্তত ধর্মের নামে নির্বিচারে হাজার হাজার পশুবলি বন্ধ করা যেত। কিছু না পারলেও বাঁকুড়া জেলার যে কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছোট ছোট শিশুদের সামনে মনসা পুজো উপলক্ষ্যে ঝপাঝপ বলি হতে থাকে সেই বীভৎসতা বন্ধ করার প্রজেক্ট নেওয়া যেত। জানেন কি হাজার প্রতিবাদ সত্বেও ঐ বিদ্যালয়গুলির কমিটি এবছরও পয়লা ভাদ্র পশুবলি করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপনার জানার কথা কেননা প্রশাসন কে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তার কপি আপনাকেও দেওয়া হয়েছে। জানিনা কচি মন গুলির চোখের সামনে যখন রক্ত-লীলার হোলি হবে তখন আপনি রবি ঠাকুর নিয়ে কি প্ল্যান করবেন। রবীন্দ্রনাথের দাও ফিরে সে অরণ্য লও এ নগর কে স্লোগান করে আগামী পাঁচ বছরের বৃক্ষ রোপনের একটা লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা যেত না কী? বাম জমানায় শুয়ে যাওয়া শিক্ষা ব্যবস্থা কে রবি ভাবনায় শিক্ষিত করার প্রজেক্ট নেওয়া যায় নিশ্চয়?
রবীন্দ্রনাথ কেন যে কোনো মনীষী কেই সম্মান জানানো যায় তার চিন্তা, তার আদর্শ, তার স্বপ্নকে পূর্ণ করার মাধ্যমে। তাকে নিয়ে হাজার নাচানাচি বা আঁতলামোর মাধ্যমে নয়।

Tuesday, July 13, 2010

Bankura Rationalist Against Child Marriage


TALDANGRA is a village about 27KM away from BANKURA TOWN towards south.HOUSIABAD is a rural village nearer to TALDANGRA.PUTUL TUDU,12yrs old child of HOUSIABAD was forced to marry by her family.But a few of the villager was against this marriage.They inform to the BANKURA BRANCH OF SRAI(Science and rationalist's association in India).Finally BANKURA branch able to stop the child marriage and send PUTUL TUDU to "TALDANGRA GIRLS SCHOOL".

Tuesday, May 12, 2009

PROTEST AGAINST----BAAN FORH AND CHARHAK

A village named Panchal situated in Bankura district(West Bengal) which is 10 kilometer away from Bankura-Burdwan state highway. The village is surrounded by dense forest. Basically Panchal is tribal based area and the villagers depend on forest for there bread and butter.
The village ,Panchal arranges a rural festival ‘Gajon’ in every last week of Bengali calendar year. Which is one of the main attraction of rural culture. In this festival villagers worship lord Shiva. To pacify Hindu lord Shiva(the destroyer) they perform an inhuman and ruthless custom namely ; Baan-forh and Charhak
What is Baan-forh? A six millimeter diameter pointed metal rod is pierced through the tongue and cheek of the performer .In this condition they dance and celebrate throughout the night. Sometimes performer pierced the Baan on his skin-it may be in abdomen .chest ,neck,or any other part of human body. In case of Charhak, the performer is hung from a very tall post with the help of two or more metal hooks pierced through the skin of back then the person is rotated at high speed. People enjoy and celebrate this kind of crude and gruesome religious practice of inflicting pain on one’s own body. It is watched and applauded by thousands-some time lakhs who gather at the air-ground. By the way, the performers all are from tribal classes, none from upper classes. Worship, management committee members of this mela all from upper classes and they are the real conductor of it. The secretary of the mela committee is also the L.C.S.of ruling party C.P.I.(M) .
Problem raised ,when some of villagers protest against this superstition. One man named Shubhasis Chirakalyan Patra, an Ex-Army doctor ,also a founder of the local N.G.O. ‘Bigyan O Samaj’ protest two years ago. He was threatened that time by the managing committee but this incident helped him. He got support of one part of villagers. This year the ‘Science and Rationalists Association of India’s Bankura district branch comes on road with them to protest against superstition.The member of those organization think that they shall over come this problem by their anti-superstitions publicity.